ওয়াকফ সম্পত্তি হেফাজত ও সুষ্ঠু ব্যবহার আবশ্যক

মুফতি মহিউদ্দিন কাসেমী

তামিলনাডুতে পড়াকালীননআমাদের উস্তায মাওলানা আবুল কালাম শফিক বলেছিলেন, শুধু কোলকাতায় যে ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে, তার সুষ্ঠু ব্যবহার হলে ভারতের অর্ধেক মুসলমান বসে বসে খেতে পারবে।

ভারতে রেলওেয়ের পর সবচেয়ে বেশি সম্পত্তির মালিক ওয়াকফ কাউন্সিল। এসব সম্পত্তির বিরাট অংশ বেদখল এবং সেগুলোর সুষ্ঠু ব্যবহার হয় না; তা সত্ত্বেও এর দ্বারা অনেক গরিব মুসলমান উপকৃত হচ্ছিল, অনেক প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছিল।

ওয়াকফ কাউন্সিলে শুধু মুসলমান থাকতে পারবে, তবে এই আইন পরিবর্তন করে অমুসলিমদের ঢুকিয়ে দেওয়া হল এবং শিয়া, বোহরা ইত্যাদি সম্প্রদায়কেও একীভূত করা হয়েছে, যা আগে কেবল সুন্নিদের জন্য ছিল। ফলে ওয়াকফ সম্পত্তি আরও বেদখল হবে এবং প্রকৃত হকদাররা উপকৃত হবে না।

গুজরাটের কসাই মোডি সরকার এই জুলুম করেছে।

এটা তো ভারতের বিষয়। বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ একর জমি রয়েছে ওয়াকফের। এগুলোর হেফাজত এবং সুষ্ঠু ব্যবহার আবশ্যক।

সব সেক্টরের মতো ওয়াকফ প্রশাসনেও ঘুষ বাণিজ্য চলে। সরকার নিয়োজিত প্রশাসন নানারকম অন্যায়ে জড়িত। প্রভাবশালী লোকজন ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে রেখেছে। প্রকৃত হকদারগণ এসব সম্পত্তির সুফল পাচ্ছে না।

ইসলামী দল, সংগঠন, ব্যক্তিবর্গ ও ওলামায়ে কেরামের উচিত বাংলাদেশের ওয়াকফ সম্পত্তি হেফাজতে ও সুষ্ঠু ব্যবহারে মনোযোগ দেওয়া।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

সূরা তারিকে যে বিষয়গুলো আলোচনা হয়েছে

নূর নিউজ

শীঘ্রই বাংলাদেশ ইসলামী লেখক ফোরামের কাউন্সিল

নূর নিউজ

ফরজ গোসলের আগে কি সেহরি খাওয়া যায়?

নূর নিউজ